আয়া সোফিয়া মসজিদ! 🇹🇷 ইস্তাম্বুল, তুরস্ক নির্মাণ (৫৩২-৫৩৭) খ্রিস্টাব্দ
এই ভবনটি শুধুই এক মসজিদ নয়, এটি ইসলামের বিজয়, নবীর ভবিষ্যদ্বাণী ও উম্মাহর ঐক্যের প্রতীক!
প্রথমে এটি ছিল এক বিশাল চার্চ, বানানো হয় ৫৩৭ খ্রিষ্টাব্দে বাইজেন্টাইন সম্রাট জাস্টিনিয়ানের আদেশে।
আর হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর জন্মের ঠিক ৩৫ বছর আগেই এর নির্মাণ সম্পন্ন হয়!
ইসলামী ইতিহাসবিদদের মতে, নবী করিম (সঃ) জন্মগ্রহণের দিনই এই গির্জার গম্বুজে একটি বড় ফাটল দেখা যায়,রোমান পুরোহিতরা তখন ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন,আজ এমন এক নবীর জন্ম হয়েছে, যার উম্মত একদিন এই স্থান জয় করবে!”আর সেই ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি হয় ৮২১ বছর পর ১৪৫৩ সালে,
যখন মাত্র ২১ বছর বয়সে সুলতান মুহাম্মদ আল-ফাতিহ (রহঃ) কনস্টান্টিনোপল বিজয় করেন! তিনি প্রবেশ করেই সিজদায় লুটিয়ে পড়েন, বলেন:“আলহামদুলিল্লাহ, এ বিজয় আল্লাহর।”
তারপর গির্জাটি রূপ নেয় হায়া সোফিয়া জামে মসজিদে।
উসমানীয় শাসকেরা এটিকে শুধু মসজিদ নয়,ভেতরে ঢুকলেই চোখে পড়ে বিশাল সোনালী ক্যালিগ্রাফি—আল্লাহ’, ‘মুহাম্মাদ (সঃ)’, ‘আবু বকর’, ‘উমর’, ‘উসমান’, ‘আলী’, ‘হাসান’, ‘হুসাইন (রা)’যা আজও সেই সময়ের মতোই ঝলমল করছে!
<মসজিদের গোপন টানেল, ফেরেশতাদের ছবি, এবং প্রাচীন খ্রিস্টান প্রতীকের রহস্য নিয়ে এই ভিডিওতে আপনি জানবেন এমন কিছু তথ্য,
যা আপনি আগে কখনও শোনেননি!
আপনি দেখবেন —হায়া সোফিয়ার অলৌকিক ইতিহাস ও ভবিষ্যদ্বাণী সুলতান মুহাম্মদ ফাতেহ (রহঃ)-এর বিজয়ের দিন মনি জিদের ভেতরের ফেরেশতা ও ক্যালিগ্রাফির রহস্যকেন আতাতুর্ক একে জাদুঘরে রূপান্তর করের কিভাবে ২০২০ সালে আবার আজানের ধ্বনি ফিরে আসে, আল্লাহু আকবার!

সংক্ষিপ্ত সারাংশ:৫৩৭ খ্রিস্টাব্দে তৈরি হওয়া Hagia Sophia ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় চার্চ।২১ বছর পর, ১৪৫৩ সালে সুলতান মুহাম্মদ ফাতেহ কনস্টান্টিনোপল জয় করেন এবং এটিকে “আয়া সোফিয়া জামে মসজিদ” ঘোষণা করেন।রপর কামাল আতাতুর্কের আমলে এটি মিউজিয়ামে রূপান্তরিত হয়, এবং ২০২০ সালে আবার মসজিদে ফিরে আসে—আলহামদুলিল্লাহ!যখন আমি এই মসজিদের ভেতরে দাঁড়ালাম, মনে হলো, শুধু একটি ভবন নয়, এটি ইমানের জীবন্ত প্রমাণ।
প্রকাশক ও সম্পাদক : এম এইচ সোহাগ খান, বার্তা সম্পাদক : মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন, উপদেষ্টা : মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন
হেড অফিস : মা হলি সিটি টাওয়ার (৩ তয় তলা) সারুলিয়া,ডেমরা,ঢাকা-১৩৬১ আঞ্চলিক অফিস : ২৩৬,নুরুল আফসার চৌধুরী মার্কেট, খাতুনগঞ্জ, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ। মোবাইল : ০১৬১৬-৮৮০৩৩০ ইমেইল: sohagkhan880330@gmail.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত