1. live@www.dailyhellobangladesh.online : দৈনিক হ্যালো বাংলাদেশ : দৈনিক হ্যালো বাংলাদেশ
  2. info@www.dailyhellobangladesh.online : দৈনিক হ্যালো বাংলাদেশ :
সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অবৈধভাবে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রত্যেকদিন দুই-আড়াই কোটি টাকা আসে: উপদেষ্টা সাখাওয়াত জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে করা রিট খারিজ ধেয়ে আসছে শৈত্যপ্রবাহ ‘পরশ’, তাপমাত্রা নামতে পারে ৮ ডিগ্রিতে বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতার সঙ্গে নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই: আমীর খসরু জুন ২০২৬-এর মধ্যে যে ৬ ধরনের দলিল বাতিল করবে সরকার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শক্তিশালী ভূমিকম্প শেখ হাসিনার রায় ঘোষণার আগের দিন যে বার্তা দিলেন মির্জা ফখরুল আড়াইহাজার বিএনপি’র জনসভা থেকে যুবদল সভাপতিকে হত্যার চেষ্টা প্রতিনিধি নিয়োগ সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ বিক্ষোভকালে টায়ারে আগুন দিতে গিয়ে দগ্ধ হলেন সাবেক ছাত্রদল নেতা

নেতাকে অন্ধ বিশ্বাসে সমর্থন করে যাওয়াই কি রাজনীতি?

মো: মাহমুদুল হাসান সোহাগ
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৮৯ বার পড়া হয়েছে

আমাদের দেশের অবিচ্ছেদ্য একটা অংশ রাজনীতি। সেখানে কেউ জীবন উৎসর্গ করছেন বা অন্যের জীবন কেড়ে নিচ্ছেন। প্রভাব বিস্তার করতে গিয়ে  জায়গায় জায়গায় মূল্যবোধের বিসর্জনের ছবি আমরা দেখতে পাই।

একজন নেতা দুর্নীতির দায়ে যখন জেলে গিয়েছেন, তখন তাঁর পক্ষে কথা বলেছি, ‘আমার নেতার চরিত্র ফুলের মতো পবিত্র’ বলে স্লোগান দিয়েছি। প্রায় সমতুল কাণ্ডে বিরোধী দলের নেতাকে খুন করার আলটিমেটামও দিয়েছি।

কিন্তু আপনি আপনার নেতাকে সমর্থন দিতে গিয়ে নিজের মূল্যবোধ হারাচ্ছেন না তো? বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট যদি দেখেন বিষয়টা খুবই স্বাভাবিক, নেতার কথাই আমার কথা। একজন নেতা কি ভালো কাজ করছেন, নাকি মন্দ, অত চিন্তা করার আমাদের সময় নেই। নেতা বলেছেন বা করেছেন, ব্যস ওইটাই ঠিক, ওটাই কার্যত।
একজন সরকারদলীয় এমপি বিপুল অর্থের দুর্নীতি দায়ে জেলে গেছেন, তাঁর সমর্থনে শত শত লোক হাজির। এই যে সাধারণ কর্মী, যাঁরা নেতার পক্ষ সমর্থনে হাজিরা দিচ্ছেন, তাঁরা কি জানেন না নেতার কাজটা খারাপ, আইনবহির্ভূত? অবশ্যই, তাঁরা আমার আপনার চেয়ে ভালে জানেন, খারাপ কাজ করলে জেলে যেতে হবে।

কিন্তু নিজের নেতার বেলায় নয়, তাঁদের বিশ্বাস করতে শেখানো হয়েছে, ‘আমার নেতা কোনো খারাপ কাজ করতে পারেন না, তিনি তুলসী পাতার মতোই কোমল।’

ভাববেন না জিনিসটা নতুন, এটা বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকেই হয়ে আসছে।

আমি জানি যে, আমার নেতার কাজটি ভালো না, সে একটা খারাপ কাজ করছে, সাধারণ জনগণের জন্য ভালো নয়। তবুও দলীয় ভাবমূর্তি রক্ষায় নেতাকে সমর্থন করি, নেতার পক্ষে সমর্থন জোগায়।

সুভাষচন্দ্র বোস, মহাত্মা গান্ধীর নীতি সঙ্গে এক হতে পারেননি, তাই স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন কংগ্রেসের সর্বোচ্চ পদ থেকে। আমি বলছি না গান্ধীর নীতি খারাপ বা ভালো ছিল, এটা এই লেখার বিষয়বস্তু নয়। আমি এখানে নেতার নিজস্ব অবস্থান, নিজের সদিচ্ছার অর্থাৎ আমার নেতার ‘হাঁ–তে যে সবসময় হাঁ মিলাইতে হবে’—এ ধারা থেকে বের হয়ে আসার কথা বলছি। আমার নেতাও যে ভুল করতে পারেন, এ ধারণা প্রজ্বলন রাখতে বলছি।

আমাদের দেশেও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে নেতারাও পদত্যাগ করেন। বিবেকের তাড়নায় বা স্বেচ্ছায় নয়, পর–ইচ্ছায় (ওপরের নেতার আদেশে)। ডা. মুরাদ হাসান সাহেব তাঁর জ্বলন্ত উদাহরণ। আমাদের এখানে মেনে নিতে হবে সবাই যেমন সুভাষ বোস না, পদত্যাগই একমাত্র পথ নয়। তারই সঙ্গে মনে রাখি একজন নেতা তাঁর আদর্শ দিয়ে তাঁর কর্মীদের পথ দেখান।

দেখা উচিত একটা ভুল কাজের ভুল সংশোধন হয়েছে কি না।
আমি জানি না, আমরা কখনো এ ভুলধারা রাজনীতি থেকে বের হতে পারব কি না, সবাই মূল্যবোধের প্রতি সচেতন হতে পারব কি না, জানি না।

তবে নেতারা যদি নিজের কার্যত ও অর্পিত দায়িত্ব সম্পর্কে মূল্যবোধ বিষয়ে সচেতন ও কর্মবান হন, তবে এ অসুস্থতা খুব বেশিদিন থাকবে না। আশা করি আমরা সকলে নিজের নিজ দায়িত্ব বোধ থেকে দেশের জন্যে কাজ করবো, আল্লাহ তায়ালা সবাইকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেন না,, যাকে দেন সে যেনো সঠিক ভাবে কাজ করার তাওফিক দান করে,,,

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট